শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ ০৩:৫০ এএম
সরকারি অফিসে অনুপস্থিত, চট্টগ্রামে কোচিংয়ে ব্যস্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন যখন সপ্তাহের অতিথি!!
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাঙ্গামাটি জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের আওতাধীন প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে নিয়মিত কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, সপ্তাহের পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তিন দিন তিনি অফিসে থাকেন না। বাকি দুই দিনও পূর্ণ কর্মদিবস অফিস না করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য উপস্থিত থাকেন।
অনুসন্ধানে তাঁর কর্মস্থল রাঙামাটিতে না থেকে অফিস সময়ে চট্টগ্রামে অবস্থানের ভিডিও, চট্টগ্রাম থেকে রাঙামাটির উদ্দেশ্যে যাত্রার প্রস্তুতির দৃশ্য, রাঙামাটির অফিসে তাঁর অনুপস্থিতির বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার লিখিত মন্তব্য এবং কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও হাজিরা খাতায় নিয়মিত উপস্থিতির রেকর্ড পাওয়া গেছে।
রাঙামাটির ওই কার্যালয়ের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গেও কথা বলেছে অনুসন্ধানী দল। তাঁদের প্রত্যেকের বক্তব্যে আব্দুল্লাহ আল মামুনের নিয়মিত অফিসে উপস্থিত না থাকার বিষয়টি উঠে এসেছে।
এ ছাড়া চট্টগ্রামের মুরাদপুরে তাঁর সঙ্গে তিনটি কোচিং সেন্টারের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি রাঙ্গুনিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের খণ্ডকালীন প্রভাষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।
অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুনের বক্তব্যও নেওয়া হয়েছে। নিজের ভুলের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, “যেটা আমি করতেছি না, সেটা আমি করতেছি- না করে তো সেটা জায়েজ করার চেষ্টা করব না।” অর্থাৎ অফিস নিয়মিত না করার বিষয়ে উনি নিজে তার ভুল স্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে তাঁর সঙ্গে সরাসরি দেখা করে বক্তব্য শোনার অনুরোধ জানান তিনি।
জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. তরিকুল আলমকে। তিনি বলেন, “আমি এখনই জেলা প্রশাসককে ফোন করে তদন্ত করতে বলব। তদন্ত অনুযায়ী অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”
সপ্তাহে তিন দিন অফিসে না থাকার অভিযোগ
জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের আওতাধীন প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র, রাঙামাটি শাখায় প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন।
অনুসন্ধানে পাওয়া অভিযোগ অনুযায়ী, রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার তিনি অফিসে থাকেন না। আর সোমবার ও বুধবার দুপুর ১১.৩০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত অফিস করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অর্থাৎ, অভিযোগটি সত্য হলে সপ্তাহের পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তিনি মাত্র দুই দিন, তাও আংশিক সময় অফিসে উপস্থিত থাকেন।
এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই অনুসন্ধানী দল রাঙামাটির কার্যালয়ে যায়।
অফিস সময়ে চট্টগ্রামের কোচিংয়ে
অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাই করতে আব্দুল্লাহ আল মামুনের গতিবিধির ওপর নজর রাখা হয়।
১১ জুন সকাল ৯টার দিকে চট্টগ্রামের মুরাদপুর এলাকার জাবেদ ম্যানসনে অবস্থিত লার্নাস এইড কোচিং সেন্টারে তাঁকে শিক্ষকতা করতে দেখা যায়।
ওই সময়টি ছিল সরকারি অফিস সময়। অথচ তাঁর কর্মস্থল রাঙামাটির প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র।
অনুসন্ধানে পাওয়া ভিডিওতে তাঁকে ওই কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতে দেখা যায়।
প্রশ্ন ওঠে, সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় একজন সরকারি কর্মকর্তা চট্টগ্রামের একটি কোচিং সেন্টারে কীভাবে শিক্ষকতা করছেন?
রাঙামাটি উদ্দেশ্য যাত্রা
২ সেপ্টেম্বর সকাল ৯ টার দিকে মুরাদপুর রেলগেইটে সামনে ব্যানার হাতে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
এবার তিনি রাঙামাটির উদ্দেশ্যে বাসের অপেক্ষায় ছিলেন।
উনার সরকারী অফিস ৯ টা আর উনি চট্টগ্রাম শহরেই ৯টার দিকে রাঙামাটি উদ্দেশ্য রওয়া দিচ্ছেন এবং আবার ৪ টার দিকে কোচিং ক্লাসে ক্লাস নিবেন তাই তাঁর সরকারী চাকরীর রুটিন হয়ে গিয়েছে ১১.৩০ থেকে ২টা।।
তিন কোচিং সেন্টারের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য
অনুসন্ধান শুধু লার্নাস এইড কোচিংয়ে তাঁর শিক্ষকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি।
চট্টগ্রামের মুরাদপুরে লার্নাস এইড কোচিং, MABS (ম্যাবস) কোচিং সেন্টার এবং CTG Tutor Solution (সিটিজি টিউটর সলিউশন)—এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আব্দুল্লাহ আল মামুনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তিনটি প্রতিষ্ঠানই চট্টগ্রাম মুরাদপুরে পিলখানা এলাকায় অবস্থিত।
এর মধ্যে লার্নাস এইড কোচিংয়ে তাঁকে সরাসরি শিক্ষকতা করতে দেখা গেছে।
তিনটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানা, পরিচালনা বা তাঁর সম্পৃক্ততার ধরন কী, তা সংশ্লিষ্ট নথি ও ব্যক্তিদের বক্তব্যের মাধ্যমে আরও যাচাই করা প্রয়োজন। তবে একই ঠিকানায় থাকা তিনটি কোচিং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার তথ্য সরকারি দায়িত্ব পালনের সময়সূচি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।
রাঙ্গুনিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজেও খণ্ডকালীন প্রভাষক
অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, আব্দুল্লাহ আল মামুন রাঙ্গুনিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের খণ্ডকালীন প্রভাষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন যা তার কোচিং থেকে প্রাপ্ত ভিজিটিং কার্ড এর তথ্য সুত্র স্পষ্ট।
অর্থাৎ, রাঙামাটিতে তাঁর সরকারি দায়িত্বের পাশাপাশি চট্টগ্রামের মুরাদপুরে একাধিক কোচিং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং রাঙ্গুনিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে খণ্ডকালীন শিক্ষকতার তথ্য সামনে এসেছে।
প্রশ্ন হচ্ছে, সরকারি চাকরির পাশাপাশি এসব দায়িত্ব পালনের সময়সূচি কীভাবে নির্ধারিত হয় এবং এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে কি না।
বিশেষ করে সরকারি অফিস সময়ে তাঁকে চট্টগ্রামে শিক্ষকতা করতে দেখা যাওয়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে দেখার প্রয়োজন তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার রাঙামাটির অফিসে ছিলেন না
অভিযোগের একটি দিন হিসেবে মঙ্গলবারকে বেছে নিয়ে অনুসন্ধানী দল রাঙামাটির প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রে যায়।
কার্যালয়ে গিয়ে প্রথমে রিসেপশনে থাকা আবু তাহেরের কাছে আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়।
তিনি জানান, আব্দুল্লাহ আল মামুন অফিসে নেই।
এরপর কার্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলা হয়।
তাঁদের বক্তব্যেও একই তথ্য উঠে আসে, আব্দুল্লাহ আল মামুন নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকেন না।
অর্থাৎ, অভিযোগের সঙ্গে অফিসের ভেতরে কর্মরত একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর বক্তব্যেও তাঁর অনুপস্থিতির বিষয়টি মিলে যায়।
হাজিরা খাতায় নিয়মিত উপস্থিতি
অফিসে তাঁর অনুপস্থিতির অভিযোগের সঙ্গে হাজিরা খাতার তথ্যের একটি অসঙ্গতি সামনে আসে।
কয়েক মাসের হাজিরা খাতা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, অভিযোগ অনুযায়ী তিনি নিয়মিত অফিসে উপস্থিত না থাকলেও খাতায় তাঁর উপস্থিতি রয়েছে।
এতে প্রশ্ন ওঠে, তিনি কর্মস্থলে না থাকলে তাঁর উপস্থিতি কীভাবে হাজিরা খাতায় নিশ্চিত করা হয়েছে?
আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দৈনিক উপস্থিতি নিশ্চিত করার দায়িত্ব প্রধান কর্মকর্তা হিসেবে আব্দুল্লাহ আল মামুনের ওপরই।
এছাড়াও উনি হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর এর জায়গায় শুধু A লিখে যা উনার আসল স্বাক্ষর নয়,,তাহলে এই ধরনের বিধিবহির্ভূত ভাবে শুধু মাত্র A লিখার রহস্য কি।
তিনি নিজে কর্মস্থলে না থাকা দিনগুলোতে অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি কীভাবে নিশ্চিত করেছেন, এ প্রশ্নেরও সুস্পষ্ট উত্তর প্রয়োজন।
২২ জুনের পরিদর্শন নোট
আব্দুল্লাহ আল মামুনের অনুপস্থিতির বিষয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায় অফিসের পরিদর্শন খাতায়।
গত ২২ জুন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র, রাঙামাটি পরিদর্শনে যান।
সেদিন আব্দুল্লাহ আল মামুনকে অফিসে পাওয়া যায়নি।
বিষয়টি পরিদর্শন খাতায় লিখিতভাবে নথিভুক্ত করেন বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম।
অর্থাৎ, শুধু অনুসন্ধানী দলের সরেজমিন পর্যবেক্ষণ নয়, বিভাগীয় পর্যায়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পরিদর্শনের সময়ও তাঁকে কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি এবং বিষয়টি লিখিত নথিতে উঠে এসেছে।
‘অতিরিক্ত সচিবকে জানানো হয়েছে, তদন্ত হবে’
আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ২২ জুন পরিদর্শনের সময় অফিসে না পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “যেহেতু আপনি অতিরিক্ত সচিবকে বিষয়টি জানিয়েছেন, তিনি অবশ্যই ব্যবস্থা নেবেন।”
তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার কথা ব্যবস্থাপনা পরিচালকের
বিষয়টি জানানো হয় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. তরিকুল আলমকে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি এখনই জেলা প্রশাসককে ফোন করে তদন্ত করতে বলব। তদন্ত অনুযায়ী অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”
অর্থাৎ, অভিযোগগুলো তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
নিজের ভুল স্বীকার করলেন আব্দুল্লাহ আল মামুন
অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুনের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি নিজের কিছু ভুলের কথা স্বীকার করেন।
তিনি বলেন, “যেটা আমি করতেছি না, সেটা আমি করতেছি- না করে তো সেটা জায়েজ করার চেষ্টা করব না।”অর্থাৎ উনি অফিসে নিয়মিত উপস্থিত না থাকার কথা স্বীকার করেন এবং একই সঙ্গে তাঁর সঙ্গে সরাসরি দেখা করে বক্তব্য শোনার অনুরোধ জানান তিনি।
এছাড়াও সরকারের জনবান্ধব ফ্যামেলি কার্ড কর্মসূচি নিয়েও একজন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এর কর্মকর্তা হয়েও নিজ ফেসবুক আইডি থেকে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে ব্যঙ্গ করে উনি সরকারী চাকরী বিধিবহির্ভূত কাজ করেছেন।।
একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর বক্তব্যে একই তথ্য
রাঙামাটির কার্যালয়ে অনুসন্ধানের সময় একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে কথা বলা হয়।
তাঁদের বক্তব্যে আব্দুল্লাহ আল মামুনের নিয়মিত অফিসে উপস্থিত না থাকার বিষয়টি উঠে আসে।
অর্থাৎ, সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে কর্মরত একাধিক ব্যক্তির বক্তব্যেও তাঁর অনুপস্থিতির অভিযোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য পাওয়া যায়।
তবে তিনি কোন কোন দিন কত সময় অফিসে ছিলেন বা ছিলেন না—তা নিশ্চিতভাবে নির্ধারণ করতে হাজিরা খাতা, পরিদর্শন নথি, দায়িত্ব পালনের রেকর্ড এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন।
প্রশ্ন উঠছে সরকারি দায়িত্ব ও জবাবদিহি নিয়ে
একজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিয়মিত কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ।
অফিস সময়ে চট্টগ্রামের কোচিং সেন্টারে শিক্ষকতার ভিডিও।
চট্টগ্রাম থেকে রাঙামাটির উদ্দেশ্যে যাত্রার দৃশ্য।
তিনটি কোচিং সেন্টারের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য।
রাঙ্গুনিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে খণ্ডকালীন প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের তথ্য।
রাঙামাটির অফিসে একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর বক্তব্যে তাঁর অনুপস্থিতির কথা।
হাজিরা খাতায় অফিস না করেও নিয়মিত উপস্থিতির রেকর্ড।
এবং ২২ জুন বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালকের পরিদর্শনের সময় তাঁকে অফিসে না পাওয়ার লিখিত নোট।
সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, সরকারি দায়িত্ব পালনের সময়সূচি তিনি কীভাবে পরিচালনা করেন?
কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও হাজিরা খাতায় নিয়মিত উপস্থিতি কীভাবে নিশ্চিত হয়েছে?
আর সরকারি চাকরির পাশাপাশি একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোচিং কার্যক্রমের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা থাকলে সেসব কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে কি না?
এসব প্রশ্নের উত্তর বের করতে তদন্তই হতে পারে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পথ।
জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. তরিকুল আলম ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসককে তদন্তের জন্য বলবেন বলে জানিয়েছেন।
তদন্তে যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
কারণ প্রতিবন্ধী মানুষের সেবা দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি সরকারি কেন্দ্রে একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার উপস্থিতি শুধু প্রশাসনিক বিষয় নয়, এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে সরকারি সেবা, জনগণের অর্থ এবং সেবাপ্রত্যাশী মানুষের অধিকার।
অভিযোগের সত্যতা তদন্তে কতটা প্রমাণিত হয় এবং কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকেও হাজিরা নিয়মিত থাকার অভিযোগের ব্যাখ্যা কী, এখন সেই উত্তরই খুঁজছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এডভোকেট সাত করি বড়ুয়ার শুভ জন্মদিন দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করেছেন বিয়াই বিপন বড়... বিস্তারিত
চৌদ্দগ্রামে ৭৬ কেজি গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় এসআই লিটন চাকমার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ জব্দকৃত মাদকের... বিস্তারিত
দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে ত্রিপুরা পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের চ্যাম্পিয়ন মহিলা কাবাডি দলকে আর্থিক সহায়তà¦... বিস্তারিত
প্যারালাইসিসে শয্যাশায়ী হিল ভিডিপি হাবিলদার আব্দুল আলী: টাকার অভাবে থমকে আছে চিকিৎসা, মানবিক সাà¦... বিস্তারিত
লোহাগড়ায় ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ যুবক আটক লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি: মো গোলাম কিবরিয়া নড়াইলের লোহাগà... বিস্তারিত
আদালতে জামিন না মঞ্জুর, কারাগারে ৩ নম্বর পাঁচলাইশের সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম ‘জনগণà... বিস্তারিত
এডভোকেট সাত করি বড়ুয়ার শুভ জন্মদিন দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করেছেন বিয়াই বিপন বড়... বিস্তারিত
চৌদ্দগ্রামে ৭৬ কেজি গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় এসআই লিটন চাকমার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ জব্দকৃত মাদকের... বিস্তারিত
দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে ত্রিপুরা পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের চ্যাম্পিয়ন মহিলা কাবাডি দলকে আর্থিক সহায়তà¦... বিস্তারিত
প্যারালাইসিসে শয্যাশায়ী হিল ভিডিপি হাবিলদার আব্দুল আলী: টাকার অভাবে থমকে আছে চিকিৎসা, মানবিক সাà¦... বিস্তারিত