সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:৪৬ এএম
--------------------- মোঃহাসানুর জামান বাবু। আসছে ৭,জানুয়ারি-২৪অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জনমনে নানা শঙ্কা, উদ্বেগ-আতঙ্ক লক্ষ করা যাচ্ছে। বিদ্যমান নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে নির্বাচন নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষ নির্বাচন বয়কট করেছেন এবং জনগণকেও এই ডামি নির্বাচনের ভোট না দেওয়ার আহবান জানিয়ে সারাদেশে লিফলেট বিতরণ করে জনমত সৃষ্টি করছেন। আওয়ামীলীগ বনাম স্বতন্ত্র ও নামেমাত্র ছোটখাটো কয়কটি দল নিয়ে এই নির্বাচন, তারপরও সাধারণ মানুষের মধ্যে এ নিয়ে বাদ-প্রতিবাদ, উৎসাহ-উদ্দীপনা তেমন একটা না থাকলেও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শঙ্কা-আতঙ্ক কিন্তু সর্বত্র বিরাজ করছে। নির্বাচনে কে ক্ষমতায় আসবে এটা আগেভাগে অনুমান করে ফেলায় এ নিয়ে ভাবনার অবকাশ সংগত কারণেই সাধারণের নেই। নিষ্ঠুরতার অভিজ্ঞতাই তাদের হতাশার চরম সীমায় পৌঁছে দিয়েছে। আমাদের দেশে নির্বাচন মাত্রই ছিল এক ধরনের উৎসব। নির্বাচনী উৎসব-উদ্দীপনায় সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে মাতামাতি দেখা যেত। প্রার্থীর অনুকূলে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় শামিল হলে চা-বিড়ি, নাশতা জুটত। নির্বাচনী উৎসবের নানা আকর্ষণেই সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ নির্বাচনী উৎসবে উৎসাহসহকারে যুক্ত হতো। পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে আবেগে নানামুখী নির্বাচনী প্রচারাভিযানে যুক্ত হতো। সেই উৎসব এখন শঙ্কা-আতঙ্কে পর্যবসিত হয়েছে। কিন্তু কেন? একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় জনগণের ভোট প্রদানের অধিকার সাংবিধানিক। সেই অধিকার থেকেও যখন জনগণ বঞ্চিত হয় সেটা ফ্যাসিবাদী শাসনকেই নিশ্চিত করে। নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর দীর্ঘ সামরিক শাসনের অবসানে মানুষ আশান্বিত হয়েছিল বটে, তবে সে আশাও দুরাশায় পরিণত হতে বিলম্ব হয়নি। আমাদের শাসকরা সামরিক স্বৈরাচারী সংস্কৃতি ধারণ করে নির্বাচিত (!) স্বৈরাচার রূপেই নিজেদের প্রমাণ দিয়ে এসেছে। নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে আত্মত্যাগীদের ও আন্দোলনকারী জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার নজির সৃষ্টি করতে দ্বিধা করেনি। শাসকগোষ্ঠীর মধ্যকার ক্ষমতায় যাওয়ার প্রতিযোগিতায় জনগণ প্রতীকী উপলক্ষ মাত্র। কার্যত ঠুটো জগন্নাথ।কারন নৌকা মার্কা যেদল তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ও একই দল এবং অন্যান্য দলগুলো ও সমমনা এটা এখন অবুঝ শিশুও বুঝে। স্বীকার করতেই হবে শুধু আমাদের দেশেই নয়, বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাধীনে বিশ্বের অনেক দেশেই নির্বাচনে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছতার প্রমাণ পাওয়া যায় না। নির্বাচনী সহিংসতা, হানাহানি, কারচুপির অজস্র ঘটনা ঘটে থাকে। বুর্জোয়া গণতন্ত্রের পীঠস্থান খোদ যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনেও প্রযুক্তিগত কারচুপির ঘটনা ঘটেছে। আমাদের প্রতিবেশী ভারতের প্রায় প্রতিটি নির্বাচনে পেশিশক্তি প্রয়োগে সংঘর্ষ-হানাহানি, মানুষ হত্যার ঘটনা ঘটে থাকে। মূল বিষয়টি হচ্ছে ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থাধীনে অবাধ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচন বাস্তবিকই দুরাশা। সরকার বদল অর্থাৎ শাসক বদলের নির্বাচনে শুধু শাসকেরই বদল ঘটে কিন্তু এবারের নির্বাচনে শাসকও পরিবর্তন হবেনা এটা আগেই ফল জানাজানি হয়েগেল। কিন্তু কথা হচ্ছে সারা দুনিয়াতে এতো কারচুরি ষড়যন্ত্র পেশিশক্তি প্রয়োগ হয়েছে সেগুলো হলো সকল দলের অংশগ্রহণ একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতা মুলক নির্বাচনে! কিন্তু বাংলাদেশে তো আগামী নির্বাচন কোন সকল দলের অংশগ্রহণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা মূলক নির্বাচন নয়!নিজেদের মধ্যে নিজেরা একটি প্রীতিম্যাচের মতো দুইভাগে বিভক্ত হয়ে একটি নির্বাচন। তারপরও মানুষ ও সাধারণ ভোটারা এতো ভয় ও আতঙ্কিত হবে কেন?? তার যৌক্তিক কারন দেখলাম আজকে চট্টগ্রাম-১২ পটিয়ার নির্বাচনী এলাকা ঘুরে সারাদিন। পটিয়াতে নৌকা মার্কার অফিস ক্যাম্প পোষ্টর ব্যানার প্রতিটি এলাকায় প্রতিটি মোড়ে মোড়ে কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থী হুইপ শামসুল হক চৌধুরীর ঈগল মার্কার অফিস ক্যাম্প ও পোষ্টার ব্যানার তেমনটা চোখে পড়ার মতো নেই।আবার অন্যান্য প্রার্থীদেরও নেই।এই ব্যাপারে সাধারণ মানুষের সাথে কথা হয়,রিক্সা ড্রাইভার গাড়ীর ড্রাইভার সহ অনেক শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানতে পারি,নোকৌর মতো ঈগলের পোস্টার ব্যানার লাগানো হয়েছিলো কিন্তু এইগুলো কিছু প্রকাশ্যে কিছু গোপনে ছিড়ে ফেলা হয়েছে। এবং নৌকা ছাড়া অন্যকোন মার্কার কথা বললে এখানে ভোটারদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে,তাই আমরা ভোটকেন্দ্রে যাবো কিনা এনিয়ে চিন্তায় আছি এবং ভোট নাদিলেও বিপদ হবে বলে আতঙ্কে আছি। আবার অন্য একটি জায়গায় ইসলামি ফ্রন্টের প্রার্থী এমএ মতিনের একটি নির্বাচনী ক্যাম্পে গিয়ে কথা ইসলামি ফ্রন্টের একজন দায়িত্ববান নেতার সাথে তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন আমরা ইতিমধ্যে বুঝে গেছি জেনে গেছি এখানে নৌকা মার্কা ছাড়া কাউকে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবেনা।গত নির্বাচনেও আমাদের এবং বিএনপির পোলিং এজেন্ট একসাথে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিলো।এবার তারচেয়ে জঘন্য হবে হবে বলে মনে হচ্ছে।তারপরও দল যখন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন কাজ তো নির্বাচনের দিন পর্যন্ত করে যেতে হবে।যা আছে কপালে। এর ঘণ্টাখানেক পর সাবেক যুবলীগ ও বর্তমান আওয়ামীলীগের এক নেতার পাশেই একটি জায়গায় বসেই ছিলাম একটি অনুষ্ঠানে,উনি জানেননা আমি মিডিয়া কর্মী।এইখানে নির্বাচন প্রসঙ্গ উঠতেই এই আওয়ামীলীগ নেতা প্রকাশ্যে শত শত মানুষের সামনে বলেই দিলেন- এবার বিএনপি জামাত নির্বাচনে নেই,কাজেই তাদের কোন নেতাকর্মী ভোটকেন্দ্রে আসলেই বলে দেওয়া হবে,আপনার দলতো নির্বাচনে আসেনি আপনি কিজন্য এসেছেন বলে তারপর কেন্দ্রে প্রবেশ করবেন।তারপর আবারও দাম্ভিকতার সহিদ বীরদর্পে বললেন ৭ তারিখে নৌকার কর্মী সমর্থক ভোটার ছাড়া কাউকে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করার কোন সুযোগ আমরা দিবোনা ইনশাল্লাহ।তখনই আমি প্রমাণ পেলাম এতোক্ষণে বিভিন্ন মানুষের বলা কথাতো আসলেই সত্য। অথচ নির্বাচন নিজেরা নিজেরাই করলেও আওয়ামীলীগ সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দলের সেক্রেটারি প্রতিদিন বারেবারে বলে যাচ্ছেন নেতাকর্মীরা যাকে পছন্দ করে তারপক্ষে কাজ করবে।কেউ বাধাঁ দিলেই তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অথচ চট্টগ্রাম-১২ পটিয়াতে চিত্র সম্পূর্ণ বিপরীত এখানে নৌকার বাহিরে কথা বললেই যেন বড় অপরাধ! এতো ভয়ভীতি পরও আজকে পটিয়াতে কাশিয়াইশ হাবিলাসদ্বীপে নৌকার প্রার্থী আলহাজ্ব মোতাহারুল ইসলাম চৌধুরী ও পটিয়ার পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হুইপ শামশুল হক চৌধুরী কে উৎসবমুখর প্রচারণায় দেখা গেছে আবার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের পূর্বহুলাইন সামরবাড়ীতে নৌকার প্রার্থী আলহাজ্ব মোতাহারুল ইসলাম চৌধুরীর পক্ষে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে উক্ত অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগ সেক্রেটারি জননেতা মফিজুর রহমান প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অন্যান্যদের মধ্যে এনডিসি গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নাজিম উদ্দীন,ইউনুস খানঁ জসিম, চেয়ারম্যান ফৌজুল কবির কুমার,নুরুল আলম চৌধুরী,মোঃ ইউনুস মিয়া,আবু মোঃ আবছার চৌধুরী,ইদ্রিস খানঁ কপিল,সাইফুল ইসলাম,আলী আজগর বাহাদুর শেখ আহমদ, জাহেদুল হক,মহসীন খানঁ, রুমা আকতার, নুরুল আবছার, ছাবের আহমদ,বোরহান উদ্দীন আকবরী,আমজাদ হোসেন, তাজুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, নাসির উদ্দীন বক্তব্য রাখেন,অন্যদিনে হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের চরকানাই গ্রামে স্বতন্ত্র প্রার্থী হুইপ শামশুল হক চৌধুরীর কন্যা স্হানীয় নেতাকর্মী নিয়ে ঈগল মার্কায় আব্বার জন্য ভোট চাইতে দেখা গেছে।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ৫ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী ও স... বিস্তারিত
শোক সংবাদ শোক সংবাদ, ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক কাজী আশরাফের মৃত্যু : ইন্নালিল্লাহি ওয়া ই... বিস্তারিত
সীতাকুণ্ড শীতলপুর শ্রী শ্রী লোকনাথ বাবার ২৯৬তম শুভ আবির্ভাব উৎসব। নন্দীনি চৌধুরি ( রিনা) চট্টগ... বিস্তারিত
নড়াইলে সাংবাদিক হেনস্থা মো গোলাম কিবরিয়া নড়াইল জেলা : নড়াইলের বিছালী ইউনিয়নের বন্নির মোড় ... বিস্তারিত
অনুপ্রেরণায় নবদিগন্ত দেশ গড়ার অঙ্গীকারে ফুলবাড়ীর কৃতিদের বরণ করে নিল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবি... বিস্তারিত
দীঘিনালায় হিল ভিডিপি সদস্যদের অর্থায়নে ওষুধ বিতরণ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান দীঘি... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ৫ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী ও স... বিস্তারিত
শোক সংবাদ শোক সংবাদ, ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক কাজী আশরাফের মৃত্যু : ইন্নালিল্লাহি ওয়া ই... বিস্তারিত
সীতাকুণ্ড শীতলপুর শ্রী শ্রী লোকনাথ বাবার ২৯৬তম শুভ আবির্ভাব উৎসব। নন্দীনি চৌধুরি ( রিনা) চট্টগ... বিস্তারিত
নড়াইলে সাংবাদিক হেনস্থা মো গোলাম কিবরিয়া নড়াইল জেলা : নড়াইলের বিছালী ইউনিয়নের বন্নির মোড় ... বিস্তারিত