নারীনীতি : বাস্তবায়নের সীমাবদ্ধতা ও মৌলবাদের হিংসাত্বক চিন্তা চেতনা অপপ্রচার।

নারীনীতি : বাস্তবায়নের সীমাবদ্ধতা ও মৌলবাদের হিংসাত্বক চিন্তা চেতনা অপপ্রচার।

sub-editor    ১০:০০ পিএম, ২০২৩-১১-১০    110


নারীনীতি : বাস্তবায়নের সীমাবদ্ধতা ও মৌলবাদের হিংসাত্বক চিন্তা চেতনা অপপ্রচার।

------------------------------------------------১ম পর্ব মোঃ হাসানুর জামান বাবু। সম্প্রতি চট্টগ্রাম পটিয়ার একটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের মৌলবাদী সংগঠনের সক্রিয় সদস্যদের মতো বাঙালি সংস্কৃতি কৃষ্টি কালচারের অন্যতম উপাদান নারীদের নৃত্য ও নারীর কর্মসংস্থান নিয়ে কুরুচিপূর্ণ অশালীন সোশ্যাল মিডিয়া নিজের ফেইজবুকে একাউন্টে মন্তব্য করেছেন এটা বর্তমানে দৈনিক আইবার্তা পত্রিকায় প্রতিবেদন হওয়ার পর দেশজুড়ে আলোচনা চলছে। ওনার দাবি হচ্ছে নারী নৃত্য করা মানেই-প্রবৃত্তির কামনায় সুড়সুড়ি দেওয়া" আর নৃত্য মানে নাকি নাচিয়ে পুরুষরা সৌন্দর্য উপভোগ করা।আর এই শিক্ষক নারীর কর্মসংস্থান নিয়ে যেসব কুরুচিপূর্ন অশ্লীল মন্তব্য করেছেন তাতে একটা বিষয় সুস্পষ্ট তা হচ্ছে সরকার নারী উন্নয়ন অগ্রগতির যে চেষ্টা দীর্ঘদিন করে একটু যে সফলতায় এগিয়ে এসেছেন সেই নারীর অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টাও অপপ্রচার।এই শিক্ষকের দাবি হচ্ছে নারী ঘর থেকে বের হতে পারবেননা এরা ঘরের শোকেইজে রাখার জিনিস।এর আগেও আমরা দেখেছি হেফাজতের সমাবেশ থেকেও নারীকে নিয়ে ১৩ দফা দাবি দিয়ে ছিলেন এবং এইগুলো মেনে নেওয়ার জন্য ওরা এমনকি সমাবেশ করছে, সরকারকে হুমকি দিয়েছিলো। এদের ঐসব তৎপরতার খবর আমরা কমবেশি সবাই জানি। যে কারণে নারীসমাজের দিক থেকে প্রতিবাদ এসেছিলো অনেক বার। এ প্রেক্ষিতে নারী উন্নয়ন নীতিমালা ২০১১ প্রণয়নের প্রেক্ষাপট ও এর বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জগুলো জানা দরকার। প্রথম জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি তৈরি হয়েছিল ১৯৯৭ সালে। এটা হঠাৎ করে হয়নি। এর জন্য দাবি-দাওয়া যেমন ছিল, তেমন আলোচনা ও পর্যবেক্ষণও ছিল নানারকম। সরকার এ নীতিমালা তৈরির আগে নারী সংগঠনগুলোর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেছে। সংবিধানে নারীর সমঅধিকার সংক্রান্ত ধারাগুলো পর্যালোচনা করা হয়েছে। বেইজিং প্লাটফর্ম ফর অ্যাকশনে নারীর জন্য যেসব কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার ব্যাপারে অঙ্গীকার করেছিল সরকার সেসব আলোচনায় ছিল। এছাড়া ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত 'কনভেনশন অন দ্য এলিমিনেশন অব অল ফর্মস অব ডিসক্রিমিনেশন অ্যাগেইনস্ট উওম্যান' বা সংক্ষেপে সিডও সনদ (বাংলা অর্থ হচ্ছে- নারীর প্রতি সকলপ্রকার বৈষম্য বিলোপ সংক্রান্ত সনদ)-এ সাক্ষরের মাধ্যমে নারীর উন্নয়নের পথের বাধাগুলো দূর করতে অঙ্গীকার করেছিল বাংলাদেশ। নীতিমালা প্রণয়নের সময় সেটিও আলোচনা-পর্যালোচনায় ছিল। অর্থাৎ নানা পক্ষের সঙ্গে ঐকমত্যের ভিত্তিতে, সংবিধানের আলোকে সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হয়। নারীর অবস্থার উন্নয়নে জাতিসংঘের বিভিন্ন সম্মেলন বা সনদের মাধ্যমে গৃহীত যেসব অঙ্গীকারে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করেছে বা অংশ নিয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা থেকে সরকার একটি নীতিমালা গ্রহণ করেছিল। বাংলাদেশে ইতোপূর্বে বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনায় নারী উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি ও কার্যক্রম গ্রহণ করা হলেও তা ছিল বিচ্ছিন্ন ও সমন্বয়হীন৷ ১ঌঌ৫ সালে বেইজিং সম্মেলনে নারী উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনায় নারী উন্নয়নের লক্ষ্যে যে ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করা হয়েছিল যা সংক্ষেপে পিএফএ (প্লাটফর্ম ফর অ্যাকশন) নামে পরিচিত, তার আলোকে প্রথমবারের মতো একটি নারী উন্নয়ন নীতি ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা দরকার ছিল৷ যার প্রধান লক্ষ্য নির্যাতিত ও অবহেলিত এ দেশের বৃহত্তম নারীসমাজের ভাগ্য উন্নয়ন করা৷ এ নীতিমালা প্রণয়নের মধ্য দিয়ে নারীর প্রতি হাজার বছরের শোষণ ও বৈষম্য বিলোপ হবে, নারী সমঅধিকার লাভ করবে এ ছিল সবার আশা৷ নারী নীতিটি ১৯৯৭ সালের ৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবসে ঘোষিত হয়৷ কিন্তু এ নীতি কার্যকর হয়নি। পরে সেটি বিভক্ত রাজনীতির কাছে জিম্মি হয়ে পড়ে। বেইজিং সম্মেলনের দু বছর পর প্রণীত নীতিটির বাস্তবায়ন পরবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত শুরুই হয়নি। ২০০১ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে বিএনপি-জামায়াতের চারদলীয় জোট। তারা মৌলবাদী অপশক্তির সঙ্গে নানাভাবে নেগোশিয়েট করে। এরপর চুপিসারে নীতিমালায় কিছু পরিবর্তন আনে। এ বিষয়ে তারা নারী সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজনও অনুভব করেনি। তারা কয়েকটি শব্দ পরিবর্তন করে নারীর অধিকার খর্ব করার ব্যবস্থা করে। ২০০৪ সালে নারীনীতিটি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকাশনায় 'জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০০৪' শিরোনামে প্রকাশিত হয়। নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য নিরসনসংক্রান্ত জাতিসংঘ কমিটির (ইউএনসিডও) কাছে বাংলাদেশের পঞ্চম প্রতিবেদন পেশ করা হলে পরিবর্তনের বিষয়টি ধরা পড়ে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ২০০৮ সালে নতুন নারীনীতির ঘোষণা দেন। এটি ২০০৪ সালের নীতির চেয়ে বেশি অগ্রসর বা নারীবান্ধব ঠিকই, তবে ১৯৯৭ সালের নীতিটির মতো নয়। তবু ইসলামী ঐক্যজোট (চারদলীয় জোটের শরিক) ইস্যুটি নিয়ে রাস্তায় নামার সুযোগ পেয়ে যায়। তাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে সুর মেলান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের তিনজন উপদেষ্টা। নারীঅধিকার আন্দোলন আরও একটা ধাক্কা খায়। বর্তমান সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে ১৯৯৭ সালের ঘোষিত নীতিমালা কিছুটা সংস্কার করে নতুন জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা-২০১১ ঘোষণা দিয়েছে। ১৯৯৭ সালের নীতির সঙ্গে এবারের নীতিটি প্রণয়নে একটি পার্থক্য ছিল। তা হল, সেবার যেমন বেইজিং প্লাটফরম ফর অ্যাকশন, সিডও সনদ এবং সংবিধানের ধারাগুলো ধারণ করে নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছিল, এবার সেসব বিবেচনায ছিল না। ১৯৯৭ সালের নীতিতে সম্পত্তিতে নারীকে সমানাধিকার দেওয়ার জন্য আ্ইন প্রণয়নের সুযোগ তৈরি হয়েছিল, ২০১১ সালের নীতিতে ওদিকে যাননি সরকার- শুধু বলা হয়েছে অর্জিত সম্পত্তিতে নারীর পূর্ণ অধিকারের কথা। ২০১১ সালের ৮ মার্চ গৃহীত বর্তমান নীতিমালা, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আমাদের নারীর জন্য এক বড় অর্জন। আমরা একে সাধুবাদ জানিয়েছিলাম এ জন্য যে আমরা চেয়েছিলাম নারী উন্নয়নের জন্য দেশে একটি নীতিমালা থাকুক। মৌলবাদীরা এ নীতিমালার বিরোধিতা করেছে নানাভাবে, অপপ্রচারও চালিয়েছে।এখনও এইসব মৌলবাদীর উত্তরসূরি এই শিক্ষকরা অপপ্রচার চালাচ্ছে ফলে এর বাস্তবায়নের কাজ এখনও খুব বেশি এগোয়নি। নারী সংগঠনগুলো দিক খেকে নীতিমালা বাস্তবায়নের ব্যাপারে চাপ সবসমযই ছিল। কয়েক মাস আগে শুধুমাত্র একটি স্টিয়ারিং কমিটি গঠিত হয়েছে। কিন্তু নীতিমালা বাস্তবায়নের ব্যাপারে দৃশ্যমান কোনো কর্মতৎপরতা নেই। নারীনীতি বাস্তবায়নের দিক থেকে সরকার পিছিয়ে আছে কেন এর্ উত্তরে একটি কথা বলা যেতে পারে, প্রায়োরিটি হয়তো বড় বিষয়। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কিছু নির্বাচনকালীন ম্যান্ডেট থাকে। কখন কোন ম্যান্ডেটকে তারা সামনে নিয়ে আসবে সেটি সরকারই ঠিক করে এবং সে অনুযায়ী তাদের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে। কাজেই নারী উন্নয়ন নীতিমালা বাস্তবায়নের ব্যাপারে সরকারের প্রায়োরিটির জায়গাটি ঠিক করতে হবে। আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে যখন ক্ষমতায় এসেছিল, তখন তারা অগ্রসর একটি নীতিমালা শুধু প্রণয়ন করেনি, ১৯৯৭ সালে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি নির্বাচনের ব্যবস্থা করেছিল। আমাদের নিশ্চয়ই মনে আছে ওই নির্বাচনে ব্যাপক সংখ্যক নারী অংশ নিয়েছিলেন। প্রায় হাজার পাঁচেক। এটি আমাদের নারীদের জন্য নিঃসন্দেহে বড় একটি অগ্রগতি। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল এই নির্বাচিত নারীদের বড় একটি অংশ কাজ করতে পারছেন না, তারা ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের দ্বারাই বাধাগ্রস্ত হচ্ছেন। কারণ পুরুষতান্ত্রিক সমাজে পুরষ বা ক্ষমতাসীনরাই ঠিক করে নারীকে কতটুকু কী দেওয়া হবে। এখানে এমন একটি অ্যাটিচ্যুড কাজ করে যে, নারীকে আমি দেব, তবে কতটুকু দেব সেটা আমরাই ঠিক করব। এর ফরে নারীর সত্যিকার ক্ষমতায়ন অনেক পিছিয়ে যায়।


রিটেলেড নিউজ

মেধাবী তরুণ জুলকার নাইন-এর ১৭তম শুভ জন্মদিনে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

মেধাবী তরুণ জুলকার নাইন-এর ১৭তম শুভ জন্মদিনে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

sub-editor

মেধাবী তরুণ জুলকার নাইন-এর ১৭তম শুভ জন্মদিনে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন  আলহামদুলিল্লাহ! আà... বিস্তারিত

আলহামদুলিল্লাহ! মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমার দ্বিতীয় কন্যার শুভ আকদ ও বিবাহ সম্পন্ন

আলহামদুলিল্লাহ! মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমার দ্বিতীয় কন্যার শুভ আকদ ও বিবাহ সম্পন্ন

sub-editor

আলহামদুলিল্লাহ! মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমার দ্বিতীয় কন্যার শুভ আকদ ও বিবাহ সম্পন্ন  পরম করুণাà... বিস্তারিত

রংপুরে ধর্মসভা পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়

রংপুরে ধর্মসভা পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়

sub-editor

রংপুরে ধর্মসভা পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ... বিস্তারিত

টাঙ্গাইলের সখীপুরে অটোভ্যান নিয়ে নিখোঁজের ২৪ দিন পর কিশোর অটোচালক সবুজের (১৪) মাথার খুলি ও হাড়গোড় উদ্ধার করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের সখীপুরে অটোভ্যান নিয়ে নিখোঁজের ২৪ দিন পর কিশোর অটোচালক সবুজের (১৪) মাথার খুলি ও হাড়গোড় উদ্ধার করা হয়েছে।

sub-editor

টাঙ্গাইলের সখীপুরে অটোভ্যান নিয়ে নিখোঁজের ২৪ দিন পর কিশোর অটোচালক সবুজের (১৪) মাথার খুলি ও হাড়গোড় à¦... বিস্তারিত

যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযান, প্রায় ৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক

যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযান, প্রায় ৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক

sub-editor

যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযান, প্রায় ৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর সীমান্তে চà... বিস্তারিত

যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযান, প্রায় ৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক

যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযান, প্রায় ৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক

sub-editor

যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযান, প্রায় ৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর সীমান্তে চà... বিস্তারিত

সর্বশেষ

মেধাবী তরুণ জুলকার নাইন-এর ১৭তম শুভ জন্মদিনে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

মেধাবী তরুণ জুলকার নাইন-এর ১৭তম শুভ জন্মদিনে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

sub-editor

মেধাবী তরুণ জুলকার নাইন-এর ১৭তম শুভ জন্মদিনে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন  আলহামদুলিল্লাহ! আà... বিস্তারিত

আলহামদুলিল্লাহ! মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমার দ্বিতীয় কন্যার শুভ আকদ ও বিবাহ সম্পন্ন

আলহামদুলিল্লাহ! মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমার দ্বিতীয় কন্যার শুভ আকদ ও বিবাহ সম্পন্ন

sub-editor

আলহামদুলিল্লাহ! মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমার দ্বিতীয় কন্যার শুভ আকদ ও বিবাহ সম্পন্ন  পরম করুণাà... বিস্তারিত

রংপুরে ধর্মসভা পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়

রংপুরে ধর্মসভা পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়

sub-editor

রংপুরে ধর্মসভা পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ... বিস্তারিত

টাঙ্গাইলের সখীপুরে অটোভ্যান নিয়ে নিখোঁজের ২৪ দিন পর কিশোর অটোচালক সবুজের (১৪) মাথার খুলি ও হাড়গোড় উদ্ধার করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের সখীপুরে অটোভ্যান নিয়ে নিখোঁজের ২৪ দিন পর কিশোর অটোচালক সবুজের (১৪) মাথার খুলি ও হাড়গোড় উদ্ধার করা হয়েছে।

sub-editor

টাঙ্গাইলের সখীপুরে অটোভ্যান নিয়ে নিখোঁজের ২৪ দিন পর কিশোর অটোচালক সবুজের (১৪) মাথার খুলি ও হাড়গোড় à¦... বিস্তারিত