সংবাদ শিরোনাম


২৭টি প্রস্তাব নিয়ে বিএনপির রূপরেখা উপস্থাপন

২৭টি প্রস্তাব নিয়ে বিএনপির রূপরেখা উপস্থাপন

sub-editor    ০৪:৪৭ পিএম, ২০২২-১২-১৯    13


২৭টি প্রস্তাব নিয়ে বিএনপির রূপরেখা উপস্থাপন

সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

‘রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের রূপরেখা’র ২৭টি প্রস্তাব হলো:

১. এক দশকের বেশি সময় আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য হীন উদ্দেশ্যে অনেক অযৌক্তিক মৌলিক সাংবিধানিক সংশোধনী নিয়ে এসেছে। একটি ‘সংবিধান সংস্কার’ কমিশন গঠন করে সব বিতর্কিত ও অগণতান্ত্রিক সাংবিধানিক সংশোধনী ও পরিবর্তনসমূহ পর্যালোচনা করে এসব রহিত/সংশোধন করা হবে এবং অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় সাংবিধানিক সংস্কার করা হবে। সংবিধানে গণভোট ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃস্থাপন করা হবে।

২. প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির বিপরীতে সব মত ও পথের সমন্বয়ে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতিমূলক  ‘রেইনবো নেশন’ প্রতিষ্ঠা করা হবে। এজন্য অব্যাহত আলোচনা, মতবিনিময় ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে ভবিষ্যৎমুখী এক নতুন ধারার সামাজিক চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে। এজন্য একটি ‘জাতীয় সমঝোতা’ কমিশন গঠন করা হবে।
 

৩. বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় এবং স্বচ্ছ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে স্থায়ী সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার লক্ষ্যে একটি ‘নির্বাচনকালীন দলনিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে।
 

৪. অর্থবিল, আস্থা ভোট, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন এবং সংবিধান সংশোধনী বিল ছাড়া অন্যসব বিষয়ে সংসদ সদস্যদের মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হবে।
 

৫. প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি ও সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী ক্ষমতায় ভারসাম্য আনা হবে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নির্বাহী বিভাগ, আইন বিভাগ ও বিচার বিভাগের ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্যের সুসমন্বয় করা হবে।
 

৬. বিদ্যমান সংসদীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের সমন্বয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার লক্ষ্যে দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, পেশাজীবী, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, সমাজবিজ্ঞানী ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাসমৃদ্ধ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ‘দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা’ প্রবর্তন করা হবে।
 

৭. রাজনৈতিক দলসমূহের মতামত এবং বিশিষ্টজনের অভিমতের ভিত্তিতে স্বাধীন, দক্ষ, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও দৃঢ়চিত্ত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি কার্যকর নির্বাচন কমিশন গঠন করার লক্ষ্যে বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিয়োগ আইন সংশোধন করা হবে। ইভিএম নয়, সব কেন্দ্রে পেপার ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রদান নিশ্চিত করা হবে। আরপিও ডেলিমেশন অর্ডার এবং রাজনৈতিক দল নিবন্ধন আইন সংস্কার করা হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহার বাতিল করা হবে।
 

৮. সংকীর্ণ রাজনৈতিক দলীয়করণের ঊর্ধ্বে সব রাষ্ট্রীয়, সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে এসব প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন করা হবে। শুনানির মাধ্যমে সংসদীয় কমিটির ভেটিং সাপেক্ষে এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেয়া হবে।
 

৯. বাংলাদেশের সংবিধান ও মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে বিচার বিভাগের কার্যকর স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে। বর্তমান বিচারব্যবস্থা সংস্কারের জন্য একটি ‘জুডিশিয়াল কমিশন’ গঠন করা হবে। জুডিশিয়াল সার্ভিসে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ, বদলি, পদোন্নতি, চাকরির বিধান সুপ্রিম কোর্টের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। বিচার বিভাগের জন্য সুপ্রিম কোর্টের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি আলাদা সচিবালয় থাকবে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অভিশংসন প্রশ্নে সংবিধানে বর্ণিত আগের ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল’ পুনঃস্থাপন করা হবে। এজন্য সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হবে। দলীয় বিবেচনার ঊর্ধ্বে কেবল জ্ঞান, প্রজ্ঞা, নীতিবোধ, বিচারবোধ ও সুনামের কঠোর মানদন্ডে যাচাই করে বিচারক নিয়োগ করা হবে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগের লক্ষ্যে সংবিধানের ৯৫(গ) অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট যোগ্যতা ও মানদণ্ড সংবলিত ‘বিচারপতি নিয়োগ আইন’ প্রণয়ন করা হবে।

আরও পড়ুন: বিএনপির রূপরেখা নিয়ে ব্যাপক সাড়া মিলেছে: আমীর খসরু
 

১০. দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ পরিষেবা, জনপ্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন উপহার দেয়ার লক্ষ্যে যোগ্য ও প্রাজ্ঞ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি ‘প্রশাসনিক সংস্কার কমিশন’ গঠন করে প্রশাসন পুনর্গঠন করা হবে। মেধা, সততা, সৃজনশীলতা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ বেসামরিক ও সামরিক প্রশাসনে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে যোগ্যতার একমাত্র মাপকাঠি হিসাবে বিবেচনা করা হবে।
 

১১. সুপ্রিম কোর্টের একজন সাবেক বিচারপতির নেতৃত্বে সার্বিক সংস্কারের লক্ষ্যে একটি ‘মিডিয়া কমিশন’ গঠন করা হবে। সৎ সাংবাদিকতার পরিবেশ পুনরুদ্ধার করা হবে এবং চাঞ্চল্যকর সাগর-রুনি হত্যাসহ সব সাংবাদিক নির্যাতন ও হত্যার বিচার নিশ্চিত করা হবে।
 

১২. দুর্নীতির ক্ষেত্রে কোনো আপস করা হবে না। বিগত দেড় দশকব্যাপী সংগঠিত অর্থপাচার ও দুর্নীতির অনুসন্ধান করে একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করা এবং শ্বেতপত্রে চিহ্নিত দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দেশের বাইরে পাচার করা অর্থ দেশে ফেরত আনার প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দুর্নীতি দমন কমিশন ও দুর্নীতি দমন আইন সংস্কারের পাশাপাশি পদ্ধতিগত সংস্কারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। সংবিধান অনুযায়ী ‘ন্যায়পাল’ নিয়োগ করা হবে।
 

১৩. সর্বস্তরে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানবিক মূল্যবোধ ও মানুষের মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং অমানবিক নিষ্ঠুর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অবসান ঘটানো হবে। ‘ইউনিভার্সাল হিউম্যান রাইটস চার্টার’ অনুযায়ী মানবাধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে মানবাধিকার কমিশনে নিয়োগ দেয়া হবে। দেড় দশক যাবত সংগঠিত সব বিচারবহির্ভূত হত্যা, ক্রসফায়ারের নামে নির্বিচারে হত্যা, গুম, অপহরণ, ধর্ষণ, নির্মম শারীরিক নির্যাতন, নিষ্ঠুর ও অমানবিক অপরাধের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সব ব্যক্তির সুবিচার নিশ্চিত করা হবে।
 

১৪. অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশেষজ্ঞ অর্থনীতিবিদ, অভিজ্ঞ ব্যাংকার, করপোরেট নেতা, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি সমন্বয়ে একটি ‘অর্থনৈতিক সংস্কার কমিশন’ গঠন করা হবে। মুক্তিযুদ্ধের মূলমন্ত্র সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচারের নিরিখে প্রবৃদ্ধির সুফল সুষম বণ্টনের মাধ্যমে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য দূর করা হবে।

উপরোক্ত সাংবিধানিক সংস্কার কমিশন, প্রশাসনিক সংস্কার কমিশন, জুডিশিয়াল কমিশন, মিডিয়া কমিশন এবং অর্থনৈতিক সংস্কার কমিশনগুলো সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্ব-স্ব প্রতিবেদন দাখিল করিবে যেন সংশ্লিষ্ট সুপারিসসমূহ শিগগিরই বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়।
 

১৫. ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’ এই মূলনীতির ভিত্তিতে প্রত্যেক ধর্মাবলম্বী নিজ নিজ ধর্ম পালনের পূর্ণ অধিকার ভোগ করবেন। দলমত ও জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পাহাড়ি ও সমতলের ক্ষুদ্র-বৃহৎ সব জাতিগোষ্ঠীর সংবিধান প্রদত্ত সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও ধর্ম-কর্মের অধিকার, নাগরিক অধিকার এবং জীবন, সম্ভ্রম ও সম্পদের পূর্ণ নিরাপত্তা বিধান করা হবে।
 

১৬. শ্রমজীবী মানুষ এবং চা-বাগান, বস্তি, চরাঞ্চল, হাওড়-বাওর ও মঙ্গাপীড়িত ও উপকূলীয় অঞ্চলের বৈষম্য দূরীকরণ ও সুষম উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে।
 

১৭. সব কালাকানুন বাতিল করা হবে এবং অপ্রয়োজনীয় কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো হতে বিদ্যুৎ আনা বন্ধ করা হবে। আমদানি নির্ভরতা পরিহার করে নবায়নযোগ্য ও মিশ্র এনার্জি-নির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং উপেক্ষিত গ্যাস খনিজ সম্পদ আহরণ/আবিষ্কারে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
 

১৮. বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেয়া হবে। বাংলাদেশ ভূখণ্ডের মধ্যে কোনোরকম সন্ত্রাসবাদী তৎপরতাকে বরদাশত করা হবে না এবং কোনো সন্ত্রাসবাদী তৎপরতা আশ্রয়-প্রশ্রয় পাবে না। ভিন্নমতের বিরোধী শক্তি দমনে সন্ত্রাসবাদকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা এবং সন্ত্রাসবাদের তকমা লাগিয়ে বিরোধী দল দমনের অপতৎপরতা বন্ধ করা হবে।

আরও পড়ুন: দেশ মেরামতের রূপরেখা জানাবে বিএনপি: খন্দকার মোশাররফ
 

১৯. দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় প্রতিরক্ষা বাহিনীকে সুসংগঠিত, যুগোপযোগী এবং সর্বোচ্চ দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জীবিত করে গড়ে তোলা হবে। স্বকীয় মর্যাদা বহাল রেখে প্রতিরক্ষাবাহিনীকে সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখা হবে।
 

২০. ক্ষমতার ব্যাপক বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে অধিকতর স্বাধীন, শক্তিশালী ও ক্ষমতাবান করা হবে। এসব প্রতিষ্ঠানকে এমনভাবে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে যেন তারা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন পরিষেবা প্রদান ও উন্নয়ন কার্যক্রমে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। স্থানীয় প্রশাসন ও অন্য কোনো জনপ্রতিনিধির খবরদারিমুক্ত স্বাধীন স্থানীয় সরকার নিশ্চিত করা হবে এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে সরকারি প্রশাসক নিয়োগ বন্ধ করা হবে। আদালত দণ্ডপ্রাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নির্বাহী আদেশবলে সাসপেন্ড / বরখাস্ত/অপসারণ করা হবে না।
 

২১. রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে নিবিড় জরিপের ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের একটি তালিকা প্রণয়ন করা হবে এবং তাদের যথাযথ মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়া হবে। এই তালিকার ভিত্তিতে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কল্যাণার্থে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই বাছাই করে একটি সঠিক তালিকা প্রস্তুত করা হবে।
 

২২. যুবসমাজের ভিশন ও চিন্তা-চেতনাকে ধারণ করে আধুনিক ও যুগোপযোগী যুব-উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। বেকার যুবকদের যথাযথ কর্মসংস্থান না হওয়া পর্যন্ত অথবা ন্যূনতম এক বছর পর্যন্ত (যা আগে ঘটে) বেকার ভাতা দেয়া হবে। যুব-দক্ষতা বৃদ্ধি করে ‘ডিমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ আদায়ের লক্ষ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে এবং বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে নানামুখী বাস্তবসম্মত কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। স্বাস্থ্য ও পুষ্টির ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে মানবসম্পদ উন্নয়নে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
 

২৩. নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। জাতীয় সংসদে মনোনয়নের ক্ষেত্রে নারীদের গুরুত্ব প্রদান এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
 

২৪. বর্তমানে শিক্ষাক্ষেত্রে বিরাজমান নৈরাজ্য দূর করে নিম্ন ও মধ্য পর্যায়ে চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা এবং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ক্যারিকুলামকে প্রাধান্য দেয়া হবে। গবেষণায় বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে। জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫% অর্থ বরাদ্দ করা হবে।
 

২৫. ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ এই নীতির ভিত্তিতে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করার জন্য সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রবর্তন করা হবে। জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫% অর্থ বরাদ্দ করা হবে।
 

২৬. শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা হবে। শিশু-শ্রম বন্ধ করা হবে।
 

২৭. কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে। প্রয়োজনে ভর্তুকি দিয়ে হলেও শস্যবীমা, পশুবীমা, মৎস্যবীমা এবং পোল্ট্রিবীমা চালু করা হবে। কৃষি জমির অকৃষি ব্যবহার বন্ধ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জমির উদ্দিন সরকার, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, শাহজাহান ওমর, এজেডএম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, নিতাই রায় চৌধুরী, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমানউল্লাহ আমান, মিজানুর রহমান মিনু, আবদুল হাই শিকদার, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সমমনা দলের নেতাদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, কল্যাণ পার্টি চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, জাগপার একাংশের চেয়ারম্যান খন্দকার লুৎফুর রহমান, ডিএল সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের চেয়ারম্যান ড. মহিউদ্দিন ইকরাম, ইসলামী ঐক্যজোট সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল করিম, লেবার পার্টি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ।

এছাড়াও গণফোরামের আবু সাঈদ, সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসিন মন্টু, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকী, ভাষানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম বাবলু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


রিটেলেড নিউজ

বাঁশখালী একজন দক্ষ ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা পেয়েছে ওসি রবিউল হকের মাদকবিরোধী তৎপরতায় বৈলছড়িতে স্বস্তি, প্রশংসা স্থানীয়দের

বাঁশখালী একজন দক্ষ ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা পেয়েছে ওসি রবিউল হকের মাদকবিরোধী তৎপরতায় বৈলছড়িতে স্বস্তি, প্রশংসা স্থানীয়দের

sub-editor

বাঁশখালী একজন দক্ষ ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা পেয়েছে ওসি রবিউল হকের মাদকবিরোধী তৎপরতায় বৈলছড়িতে স্... বিস্তারিত

বাঁশখালী একজন দক্ষ ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা পেয়েছে ওসি রবিউল হকের মাদকবিরোধী তৎপরতায় বৈলছড়িতে স্বস্তি, প্রশংসা স্থানীয়দের

বাঁশখালী একজন দক্ষ ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা পেয়েছে ওসি রবিউল হকের মাদকবিরোধী তৎপরতায় বৈলছড়িতে স্বস্তি, প্রশংসা স্থানীয়দের

sub-editor

বাঁশখালী একজন দক্ষ ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা পেয়েছে ওসি রবিউল হকের মাদকবিরোধী তৎপরতায় বৈলছড়িতে স্... বিস্তারিত

সোলাইমান রুবেলকে নিয়ে অপপ্রচার: সত্য যাচাই ছাড়া মন্তব্য না করার আহ্বান

সোলাইমান রুবেলকে নিয়ে অপপ্রচার: সত্য যাচাই ছাড়া মন্তব্য না করার আহ্বান

sub-editor

সোলাইমান রুবেলকে নিয়ে অপপ্রচার: সত্য যাচাই ছাড়া মন্তব্য না করার আহ্বান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ ... বিস্তারিত

সাংবাদিক কামরুল হাসান জয়ের জন্মদিন পালন সিটিজি ক্রাইম টিভি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও দোয়া

সাংবাদিক কামরুল হাসান জয়ের জন্মদিন পালন সিটিজি ক্রাইম টিভি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও দোয়া

sub-editor

সাংবাদিক কামরুল হাসান জয়ের জন্মদিন পালন সিটিজি ক্রাইম টিভি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা, ভালোবাস... বিস্তারিত

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ৫ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী ও স্বামীর ভাইকে ঘিরে সন্দেহ, প্রকৃত ঘটনা জানতে তদন্তের দাবি

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ৫ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী ও স্বামীর ভাইকে ঘিরে সন্দেহ, প্রকৃত ঘটনা জানতে তদন্তের দাবি

sub-editor

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ৫ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী ও স... বিস্তারিত

শোক সংবাদ শোক সংবাদ,   ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক কাজী আশরাফের মৃত্যু :

শোক সংবাদ শোক সংবাদ, ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক কাজী আশরাফের মৃত্যু :

sub-editor

শোক সংবাদ শোক সংবাদ,  ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক কাজী আশরাফের মৃত্যু : ইন্নালিল্লাহি ওয়া ই... বিস্তারিত

সর্বশেষ

বাঁশখালী একজন দক্ষ ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা পেয়েছে ওসি রবিউল হকের মাদকবিরোধী তৎপরতায় বৈলছড়িতে স্বস্তি, প্রশংসা স্থানীয়দের

বাঁশখালী একজন দক্ষ ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা পেয়েছে ওসি রবিউল হকের মাদকবিরোধী তৎপরতায় বৈলছড়িতে স্বস্তি, প্রশংসা স্থানীয়দের

sub-editor

বাঁশখালী একজন দক্ষ ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা পেয়েছে ওসি রবিউল হকের মাদকবিরোধী তৎপরতায় বৈলছড়িতে স্... বিস্তারিত

বাঁশখালী একজন দক্ষ ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা পেয়েছে ওসি রবিউল হকের মাদকবিরোধী তৎপরতায় বৈলছড়িতে স্বস্তি, প্রশংসা স্থানীয়দের

বাঁশখালী একজন দক্ষ ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা পেয়েছে ওসি রবিউল হকের মাদকবিরোধী তৎপরতায় বৈলছড়িতে স্বস্তি, প্রশংসা স্থানীয়দের

sub-editor

বাঁশখালী একজন দক্ষ ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা পেয়েছে ওসি রবিউল হকের মাদকবিরোধী তৎপরতায় বৈলছড়িতে স্... বিস্তারিত

সোলাইমান রুবেলকে নিয়ে অপপ্রচার: সত্য যাচাই ছাড়া মন্তব্য না করার আহ্বান

সোলাইমান রুবেলকে নিয়ে অপপ্রচার: সত্য যাচাই ছাড়া মন্তব্য না করার আহ্বান

sub-editor

সোলাইমান রুবেলকে নিয়ে অপপ্রচার: সত্য যাচাই ছাড়া মন্তব্য না করার আহ্বান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ ... বিস্তারিত

সাংবাদিক কামরুল হাসান জয়ের জন্মদিন পালন সিটিজি ক্রাইম টিভি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও দোয়া

সাংবাদিক কামরুল হাসান জয়ের জন্মদিন পালন সিটিজি ক্রাইম টিভি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও দোয়া

sub-editor

সাংবাদিক কামরুল হাসান জয়ের জন্মদিন পালন সিটিজি ক্রাইম টিভি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা, ভালোবাস... বিস্তারিত